পুলিশের জন্য বিশেষায়িত এই কমিউনিটি ব্যাংকের যাত্রার মধ্য দিয়ে দেশে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৯টি। এর আগে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি ও আনসার-ভিডিপিকে ব্যাংক দেয়া হলেও এবারই প্রথম চালু হলো পুলিশ বাহিনীর নিজস্ব ব্যাংক।
আস্থা- নিরাপত্তা ও প্রগতি এই তিন মুল ভিত্তির ওপর বাংলাদেশ পুলিশের মালিকানাধীন কমিউনিটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত। পুলিশ সদস্য ছাড়াও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে অত্যাধুনিক, নিরাপদ ও আস্থাশীল আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই ব্যাংকের সেবা পৌঁছে দিতে চায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।
বুধবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংকটির বানিজ্যিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে রাজধানীর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডের করপোরেট শাখার পাশাপাশি মতিঝিল, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও চট্টগ্রামে ৬ টি শাখার মাধ্যমে ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব জেলা শহরে একটি করে শাখা খোলা হবে। ধীরে ধীরে সব উপজেলা শহরে একটি করে এটিএম বুধ স্থাপন করা হবে। পদাধিকার বলে ব্যাংকের প্রথম চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক ।
ব্যাংকটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম উদ্বোধনের দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য। পরে কয়েকজন পুলিশ সদস্য কমিউনিটি ব্যাংক চালু করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। ৪০০ কোটি টাকা অনুমোদিত এবং ১০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে গঠিত কমিউনিটি ব্যাংক ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পায়।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























