রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ রাখবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির নতুন রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রীর সাথে প্রথম বৈঠকে তারা রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই সমাধানের উপায়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন বলেও জানান লি জিমিং।

প্রত্যাবাসন না হওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় বুধবার (২৮ আগস্ট) নোট ভারবালের মাধ্যমে নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে চীন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের আবারও আলোচনা শুরু করার এই প্রস্তাবে চীনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক করার কথা বলা হয়েছে। ত্রিপাক্ষিক এই বৈঠকের আয়োজক হতে চায় চীন। বাংলাদেশ রাজি থাকলে এই বৈঠক আয়োজন করা হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশই চায় রোহিঙ্গা সংকটে দ্রুত সমাধান। গত ২২’শে আগস্ট সব ধরনের প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হয়নি। প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য বাংলাদেশের মিয়ানমারের পাশাপাশি চীনের প্রতিনিধিরাও কক্সবাজারে উপস্থিত ছিলেন।
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করার চেষ্টা দ্বিতীয়বারের মতো ব্যর্থ হওয়ার পর মিয়ানমারের সাথে আলোচনার নতুন প্রস্তাব দিয়েছে চীন। এবারের প্রস্তাবেও দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্ততাকারী হিসেবে থাকার কথা জানিয়েছে দেশটি।

সম্প্রতি, নতুন রাষ্ট্রদূত লি জি মিন বাংলাদেশে দূতাবাসে আসার পর আজ প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করেন। এসময় দুই দেশের সম্পর্ক ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় আলাপ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও চীনা রাষ্ট্রদূত।



























