এনএস-ওয়ান পরীক্ষায় ধরা পড়ছে না ডেঙ্গু। ১০ থেকে ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে এটি ঘটছে বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। তাদের পরামর্শ, ডেঙ্গু শনাক্তে লক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। এদিকে রাজধানীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
গত সপ্তাহে তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয় মাহজাবিন মাইশা। ডেঙ্গু পরীক্ষায় রিপোর্ট আসে নেগেটিভ। পরে দুজন চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসায় জ্বর কমলেও দেখা দেয় নানা জটিলতা। ভর্তি করা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। প্লাটিলেইট নামে আট হাজারে। পানি জমে লিভারফুসফুসে।
চিকিৎসকরাও বলছেন, এখন অনেক আক্রান্তের ক্ষেত্রেই এনএস-ওয়ান পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে না। ভাইরাসের ধরণ বদলে গিয়ে এটি হচ্ছে কি-না তা নিয়ে গবেষণার পরামর্শও তাদের। আতঙ্কে এনএস-ওয়ান পরীক্ষা করিয়ে, ডেঙ্গু ধরা না পড়ায় অনেকেই যাচ্ছেন না চিকিৎসকের কাছে। এতে তৈরি হচ্ছে নানামুখি জটিলতা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, ডেঙ্গু র্যাপিড টেস্ট অর্থাৎ এনএসওয়ান পরীক্ষায় ৪৫ ভাগের ক্ষেত্রেই রিপোর্ট ফলস নেগেটিভ হয়।
ডেঙ্গু পরীক্ষায় নিম্নমানের কিট, ল্যাব ও টেকনিশিয়ানের অদক্ষতাসহ নানা কারণে এমন হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ, ডেঙ্গু শনাক্তে গুরুত্ব দিতে হবে লক্ষণের ওপরও। সে ক্ষেত্রে জ্বর বমি ডায়রিয়া ও ডেঙ্গুর অন্য লক্ষণ দেখা দিলে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























