আজ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। শুরুতেই তিনশো রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ, এরই মধ্যে তাদের সাক্ষাতকারও নেয়া হয়েছে। এজন্য স্থলপথে ঘুমধুম সীমান্তে ও নৌপথে কেরণতলীতে বিশেষ প্রস্তুতিও রয়েছে। কিন্তু কক্সবাজার আশ্রয়শিবির থেকে ফিরে যেতে নাগরিকত্বসহ পাঁচ দাবি তাদের। এবার দ্বিতীয় দফায় প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

মিয়ানমারের বরকতের বিল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন কৃষক মোহাম্মদ ইসমাইল। নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেন কক্সবাজারের শালবাগান ক্যাম্পে। বৃহস্পতিবার ফিরে যাওয়াদের তালিকায় তিনিও রয়েছেন। কিন্তু সাক্ষাতকারে জানিয়ে দিয়েছেন, নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ছাড়া মিয়ানমারে যাবেন না তিনি।

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, মিয়ানমারে আমাদের নিজেদের বাড়িঘর বুঝিয়ে দিলে, আমরা যেতে প্রস্তুত। এছাড়া আকিয়াব ও বুসিডংয়ে জেলখানায় আমাদের স্বজনেরা আছে, তাদের মুক্তি দিতে হবে।

তালিকায় থাকা সবারই চাওয়া প্রায় একইরকম। ফেরার আগে ৫ শর্ত পূরণের দাবি তাদের। এক বাসিন্দা বলেন, নাগরিকত্ব, বিচার, সম্পত্তি ফিরিয়ে দেয়া, স্বজনদের মুক্তি, নিরাপত্তা। দুই দিনে ২১৪ রোহিঙ্গা পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রতিনিধিরা। দুই দিনে ২১৪ রোহিঙ্গা পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রতিনিধিরা।
টেকনাফ ব্লক চেয়ারম্যান ক্যাম্প-২৬ বদিউল ইসলাম বলেন, আমাদের বার্মা সরকার নিয়ে যাবে বলেছে, তাই তাদের ধন্যবাদ জানাই, আমরা খুশি হয়েছি কিন্তু যাদের ফেরত নেয়ার কথা বলছে, তাদের ওপর সেখানে অত্যাচার হয়েছে, তাদের সম্পত্তি কেড়ে নেয়া হয়েছে, তাই অনেকেই ভয়ে যেতে চাচ্ছে না।

বাংলাদেশ থেকে পাঠানো ২২ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা থেকে ৩ হাজার ৫৪০ জনকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। এরই মধ্যে সব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ।

প্রত্যাবাসন চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিদিন ৩০০ জন রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যাবে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে