ঈদের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। দেশের বিভিন্ন জেলায় ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। এবার ভারতীয় পশু কম আসায় স্থানীয় গরু- ছাগলে ভরে গেছে হাট। এছাড়া দেশীয় পশুর উৎপাদন পর্যাপ্ত থাকায় দামও নাগালের মধ্যে বলছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এদিকে হাটের সার্বিক নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।

২০১৫ সাল থেকে ভারতীয় পশু আমদানিতে কড়াকড়ি হওয়ায় যশোরে অনেকেই গরু-ছাগলের খামার গড়ে তোলেন। বর্তমানে চাহিদার চেয়েও উৎপাদন বেড়েছে কোরবানির পশুর। ক্রেতারা বলছেন, বাজারে পর্যাপ্ত যোগান থাকায় এবার পশুর দাম তুলনামূলক কম। মানিকগঞ্জের বিভিন্ন হাটে উঠেছে দেশীয় জাতের ছোট বড় অনেক পশু। বর্তমানে ক্রেতা কিছুটা কম থাকলেও দু’একদিনের মধ্যে পশুর দাম বাড়বে বলে আশাবাদী ব্যবসায়ীরা। এদিকে হাটের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। মেহেরপুরের হাটগুলোতে শংকরজাতের বড় গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট আকারের দেশী গরুর চাহিদা বেশি, বলছেন ব্যবসায়ীরা। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এখানকার কোরবানির পশু সরবরাহ হয় ঢাকাসহ সারাদেশে।এদিকে ফরিদপুরে কোরবানির ঈদের জন্য বছরজুড়ে পশু লালনপালন করে চরাঞ্চলের খামারিরা। কিন্তু চলতি বছর বন্যা আর পশু ডাকাতের আতঙ্কে রয়েছেন তারা। তবে চরাঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানায় প্রশাসন।

সীমান্ত জেলা হলেও চুয়াডাঙ্গায় দেশি গরুতেই জমে উঠেছে কোরবানির হাটগুলো। শেষের দিকে হাট আরও জমে উঠবে, বলছে প্রাণি বিভাগ। ঝিনাইদহে জেলার ২৪টি হাটে কোরবানীর পশু উঠতে শুরু হলেও দাম তুলনামূলক কম, বলছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে বেনাপোলে এবার ভারতীয় পশু কম আসায় স্থানীয় গরু- ছাগলে ভরে গেছে হাট। তবে পশুর দাম কম হওয়ার আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে