জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে রংপুরে দাফন করা হয়েছে। বাদ আসর শহরের পল্লী নিবাসে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে জাতীয় পার্টির রংপুরের নেতাকর্মীদের দাবির মুখে এরশাদকে ঢাকার বনানীতে দাফনের সিদ্ধান্ত পাল্টানো হয়। এতে সম্মতি জানান এরশাদের সহধর্মিনী রওশন এরশাদও।বাদ জোহর রংপুরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এরশাদের চতুর্থ ও শেষ জানাজা হয়।

ঢাকায় তিনটি জানাজার পর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহ রংপুরে নেয়া হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় রংপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে এরশাদের কফিনবাহী হেলিকপ্টার। রংপুর সেনানিবাসে পৌঁছায় দুপুর সোয়া ১২টায়। চতুর্থ ও শেষ জানাজার জন্য এবং শ্রদ্ধা জানাতে রংপুরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নেয়া হয় সাবেক এই রাষ্ট্রপতির মরদেহ। তবে আজ সকাল থেকেই ময়দান ঘিরে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মী ও এরশাদের ভক্ত অনুগামীদের উপস্থিতিতে লোকারণ্য হয়ে ওঠে জানাজাস্থল। বাদ জোহর হয় জানাজা। এরশাদকে ঢাকায় সমাহিত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মুখর হন রংপুরের জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা।
ঈদগাহ ময়দান থেকে এরশাদের মরদেহ নেয়া হয় তার বাড়ি পল্লী নিবাসে। আগের সিদ্ধান্ত পাল্টে এরশাদকে রংপুরেই দাফন করার সিদ্ধান্ত হয়।

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, রংপুরের মানুষ যে তাকে ভালোবাসা তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। জনগণ যখন জোর দাবি করেছে এখানেই দাফন করতে হবে, আমরা সেই দাবি ফেলতে পারলাম না। ভালোবাসার জয় হয়েছে।এ সিদ্ধান্তে এরশাদের সহধর্মিনী রওশন এরশাদও সম্মতি দেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাদ আসর পল্লী নিবাসে সমাহিত করা হয় বর্তমান সংসদের বিরোধী দলীয় নেতাকে। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এক সময়ের সেনাশাসক ও স্বৈরাচার আখ্যা পাওয়া এই রাজনীতিক।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে