মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে প্রায় দেড় বছর আগে দুদেশ চুক্তিবদ্ধ হলেও এখনো শুরু হয়নি প্রত্যাবাসন। সহসা শুরু হওয়ার কোনই লক্ষণ নেই। মিয়ানমার সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অসহযোগিতার কারণে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। সংকটের স্থায়ী সমাধানে বাংলাদেশকে নতুন কর্মপরিকল্পনা নেয়ার পরামর্শ অভিবাসন ও শরণার্থী বিশেষজ্ঞদের।
যুদ্ধ, সংঘর্ষ, কিংবা নির্যাতিত হয়ে বিশ্বে প্রতিনিয়তই বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা- ইউএনএইচসিআরের চলতি বছরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের শেষ পর্যন্ত বিশ্বে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৮ লাখ। তার আগের বছরে এই সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৮৫ লাখ। সত্তর বছরের ইতিহাসে এত বিপুল সংখ্যক বাস্তুচ্যুত শরণার্থী দেখেনি বিশ্ব।গত দুই বছর ধরে এমনই এক সংকটে ভুগছে বাংলাদেশও। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে ২০১৭ সালের আগস্টে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এর আগে থেকেই বাংলাদেশে চার লাখের মতো রোহিঙ্গা ছিল। সব মিলিয়ে এ সংখ্যা বারো লাখ ছাড়িয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে চাপের মুখে রয়েছে বাংলাদেশ।

শরণার্থী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, তাড়াহুড়ো করে মিয়ানমারের সাথে প্রত্যাবাসন চুক্তি করাই ছিল সংকটের চরম ভুল। তাহলে এই সংকটের কি কোন সমাধান নেই? এমন প্রশ্নে নিজেদের পরামর্শ তুলে ধরেন অভিবাসন ও শরণার্থী বিশেষজ্ঞরা।দ্রুততার ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না নিলে রোহিঙ্গা সংকট স্থায়ী আকার ধারন করবে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। যেই সংকট বিশ্বে শুধু শরণার্থীর সংখ্যাই বাড়াবে।

তথ্যঃ বৈশাখী
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে