একুশে অগাস্টের গ্রেনেড হামলার মামলা রায়ে তারেক রহমান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ায় দেশে আনা সহজ হবে বলে মনে করছেন আইনবিদ আমিরুল ইসলাম। তবে তার সঙ্গে দ্বিমত করছেন শাহদীন মালিক। তিনি বলছেন, এতে তারেকের যুক্তরাজ্যে আশ্রয় দীর্ঘায়িত হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এ মামলার চূড়ান্ত রায় পেতে আরো ৫ বছর লেগে যেতে পারে বলেও ধারণা তার।

বিশেষ জজ আদালতে ১৪ বছর আগে চালানো এ হামলার বিচার শেষ হওয়ায় সন্তুষ্ট আইনজ্ঞরা। তারা বলছেন, রাজনীতি জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত করার ক্ষেত্রে এ রায় বড় ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আসামি তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করার ক্ষেত্রে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদারের পরামর্শও দেন আমিরুল ইসলাম। তবে তাঁর এই বক্তব্যে একমত নন আরেক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক।

আইন অনুযায়ী রায়ে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবে। এ মামলায় চূড়ান্ত রায় পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরো কয়েক বছর। দুই হাজার চার সালে তখনকার বিরোধী দল আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে চালানো হয় গ্রেনেড হামলা। বুধবার দেয়া বিচারিক আদালতের রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়ছে বিরোধী দলকে নেতৃত্বশূন্য করতেই চালানো এই হামলা। তারেক ছাড়াও এই মামলায় খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ পলাতক আছেন ১৮ আসামি।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে