ব্যাক্তিগত বৈধ অস্ত্রের বাণিজ্যে পুরনো জৌলুশ হারিয়ে যাওয়ায়, বর্তমানের ব্যবসায়ীদের মধ্যে দু:শ্চিন্তার উদ্রেক ঘটেছে। বিক্রি কমে গেছে অনেক। আবার ক্রেতারাও কেউ কেউ আছেন বিপাকে নানান জটিলতার কারণে।

দাদার শুরু করা অস্ত্র ব্যবসা এখন আবরার উদ্দিন আহমেদের কাঁধে। ইতিমধ্যেই ৪৩ বছর কাটিয়েছেন এই বানিজ্যে। অস্ত্র মেরামতে হাত পাকিয়েছেন, হয়েছেন গানস্মিথ। বলছেন, গত ১৫ বছর ধরে শুধু পেছাচ্ছেন এই ব্যবসায়। আবরারের কাজের সুনাম আছে এই জগতে। তা জানে বৃটিশরাও। তার গর্বের সাথে গল্প করার মতো অনেক পেশাগত কাজ আছে। কিন্তু ক্যমেরায় তা বলতে চাননি। ১৯৯৭ সালে ইংল্যন্ডের জন ফারুগিয়া আর্মস কম্পানী থেকে মোটা অঙ্কের বেতনে চাকরির প্রস্তাব ছিলো। দেশে ব্যবসা ভাল বলে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বৃটেনে চাকরির সুযোগ। আর একজন গানস্মিথ তৌহিদ আলম খোকন। বাবার হাত ধরে তারুন্যে এসেছেন এই ব্যবসায়। স্বর্ণযুগটা এখন অতীত। বর্তমানটা তার কাছে দীর্ঘশ্বাস।

অন্য আরো কয়েকজন গানস্মিথের কথায় একই শুর ভেসে ওঠে। কেউ যেন বৈধ অস্ত্রের বানিজ্যে কোনো আশার আলো দেখছেন না। নতুন নতুন কড়াকড়ি আরোপ করায় অস্ত্রের পুরনো লাইসেন্সধারী অনেকে বর্তমানে নানা সমস্যার মুখোমুখেী হচ্ছে। তাদের একজন পুরনো ঢাকার হানিফ হিরা। ১৯৯১ সালে ৫’শ টাকা ফি দিয়ে ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার জন্য একটি টু টু রাইফেল ও একটি রিভলবারের লাইসেন্স নেন। এখন যেন তা বোঝা হয়ে উঠেছে। এই বৈধ অস্ত্র বানিজ্যের জগতে কি পরিমান প্রতিবছর আমদানী ও বিক্রি হয়, কত সংখ্যক লাইসেন্স কত ব্যাক্তিকে ব্যাক্তিগত অস্ত্র ব্যবহারের জন্য এখন পর্যন্ত দেয়া হয়েছে, এসব তথ্য স্পর্শকাতর বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ দেয়ার ব্যপারে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে, একটি আনুমানিক ধারণা করেন এই বানিজ্যের নেতারা।

তবে, দেশের বিভিন্ন উপলক্ষ ও বাস্তবতা এই বৈধ অস্ত্রের ব্যবসা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকার সময়ে সময়ে নানান নতুন নির্দেশণা ও বিধি নিষেধ আরোপ করার এখতিয়ার রাখে। যা সংশ্লিষ্ট সকলকেই মেনে চলতে হয়।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে