পর্যটন দিবসে এবারও নানা কর্মসূচি আছে সরকারের। তবে শুধু কাগজ-কলমেই আটকে এ শিল্পের উন্নয়ন। ঘোষিত পর্যটন বর্ষে কি পরিমাণ ভিনদেশি এসেছেন বাংলাদেশে জানে না কেউ এ খাতকে এগিয়ে নিতে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়টিও আছে অন্ধকারেই।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ বাংলাদেশ। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত থেকে কুয়াকাটার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত, সিলেটের হাওর, বিছানাকান্দি কিংবা সুন্দরবন। প্রতিদিনই এসব জায়গা ভিড় করেন দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা। পর্যটন শিল্পের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ২০১৬ সালকে ঘোষণা করা হয়েছিলো পর্যটন বর্ষ। তবে এতে কাঙ্খিত সাড়া না মেলায় সময় বাড়ানো হয় আরো দু বছর। ভিজিট বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যে এসময় ১০ লাখ বিদেশি পর্যটকের প্রত্যাশা ছিলো সরকারের।

তবে এই তিন বছরে কতজন পর্যটক বাংলাদেশে এসেছেন এখনও জানে না মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটন সামনে রেখে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কথা থাকলেও তা রয়ে গেছে অন্ধেকারে।ইমিগ্রেশন পুলিশের তথ্য বলছে, গত বছর বাংলাদেশ ভ্রমণ করেছেন প্রায় ৬ লাখ বিদেশি। তবে শুধু পর্যটনের জন্য কতজন এসেছেন, সে তথ্য নেই কারো কাছে। এ খাতকে এগিয়ে নিতে এখনও পর্যটন এলাকার তালিকাই করছে সরকার। মহাপরিকল্পনার জন্য পরামর্শক নিয়োগের কাজ ওগুচ্ছে, জানাচ্ছে পর্যটন বোর্ড।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রথম শর্ত পর্যটকের ধরণ ও সংখ্যা নিয়ে তথ্য। আর সেটি না হওয়া পর্যন্ত মিলবে না কাঙকিত ফল।

ইন্ডিপেনডেন্ট

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে