পরিবেশ বান্ধব শিল্পের সুফলের পরিবর্তে, উল্টো আর্ন্তজাতিক ক্রেতা হারাচ্ছে দেশের চামড়া শিল্প। কারণ, ট্যানারি স্থানান্তরের দেড় বছরেও পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি সাভার চামড়া শিল্প নগরী। ভাঙ্গাচোরা রাস্তাঘাট, ডাম্পিং ইয়ার্ডের দুর্গন্ধ, অসম্পূর্ণ বর্জ্য পরিশোধনাগার প্রতিদিন দুষিত করে তুলছে চারপাশের পরিবেশ।

শুধু রাস্তাই নয়, কারখানার আশপাশও ভর্তি কালো পানিতে। সাথে দমবন্ধ করা দুর্গন্ধ। সময় চলে গেছে ১৪ বছর। শিল্প নগরী চালু হয়েছে এমন ভোগান্তিকে সঙ্গী করেই। এসব নিয়ে অ্যাপেক্স ট্যানারির নির্বাহী পরিচালক এম এ মাজেদ বলেন, ‘রাস্তার অবস্থা এতই খারাপ যে বিদেশিদের কেউ দেখার পর এখানে আর আসেন না আবার কেউ শুনে আসেন না। তারা মনে করেন এখানে আসার পরিবেশ সেভাবে গড়ে ওঠেনি।’

অভিযোগ আছে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার-সিইটিপি নিয়েও। চারটি মডিউল তৈরি হলেও, সবসময় চালু থাকে না। অথবা পুরোপুরি পরিশোধন না করেই পানি ছেড়ে দেয়া হয় পাশের ধলেশ্বরীতে। সাভার শিল্পনগরীর শেষ প্রান্তের বিশাল বিষাক্ত বর্জ্যের ভাগাড় থেকে ধলেশ্বরীর রক্ষকবচ একচিলতে মাটির বাধ। অতিবৃষ্টিতে উপচে পড়লেই মিশে যাবে নদীতে। অথচ, সলিড ওয়েস্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা ছিলো এখান থেকেই। কথা ছিলো শুরু হবে স্লাজ পাওয়ার জেনারেশন সিস্টেম বা এসপিজিএস তৈরির কাজ। কিন্তু চুড়ান্ত হয়নি তার নকশা।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে