
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, ৪৩ লক্ষ মামলা মাত্র ১৮০০ বিচারক দিয়ে বিচারকাজ সম্পন্ন করা চাট্রিখানি কথা নয়। মামলা নিষ্পত্তির হার ১২৫ শতাংশে উন্নীত করা গেলে কয়েক বছরের মধ্যে মামলাজট কমানো সম্ভব হবে। বুধবার(৬’সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ৬তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ হাদী। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোঃ সাইফুর রহমান, সদর-২ আসনের সাংসদ মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা ও দায়রা জজ চাঁদ মোঃ আবদুল আলিম আল রাজী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির , পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু প্রমুখ। এর আগে প্রধান বিচারপতি সাতক্ষীরা আইনজীবি ভবনে ‘ন্যায়কুঞ্জ’ নামে একটি বিশ্রামাগার উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য, ৩১ আগস্ট বৃহস্পতিবার ছিলো হাসান ফয়েজ সিদ্দীকির বিচারিক জীবনের শেষ কর্মদিবস। ৬৭ বছর পূর্ন করে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি অবসরে যাবেন। প্রধান বিচারপতি সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ১৯৭৫-৭৬ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। এখান থেকেই তিনি আইএসসি (বর্তমানে ইন্টারমিডিয়েট) পরীক্ষায় পাশ করেন। ১৯৫৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ায় জন্মগ্রহন করেন হাসান ফয়েজ সিদ্দীকি। তার পিতা আব্দুল গফুর মোল্লার সরকারি চাকুরির সুবাদে তিনি দীর্ঘকাল সাতক্ষীরায় থেকেছেন। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে ১৯৮১ সালের ২১ আগস্ট কুষ্টিয়া জেলা আদালতে আইনজীবি হিসাবে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট এবং ১৯৯৯ সালের ২৯ মে আপিল বিভাগের আইনজীবি হিসাবে কাজ করার সুযোগ পান। ২০০৯ সালের ২৫ মার্চ হাইকোর্ট বিভাগে এবং ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ আপিল বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ পান তিনি। এরপর ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে তিনি রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছ থেকে শপথ বাক্য পাঠ করেন।































