
ঝুঁকি কম ও পরিবহন সহজ হওয়ায় যশোরের শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে বেড়েছে স্বর্ণ চোরাচালান। বিজিবির কড়া পাহাড়ার মধ্যেও রুট ও কৌশল পরিবর্তন করে পাচার করছে চোরাকারবারীরা। তবে সীমান্তে চোরাচারালান প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানোর কথা জানিয়েছে বিজিবি। চোরাচালানে জিরো টলারেন্স দেখাতে সীমান্তে বিশেষ টহল ও অপারেশন জোরদার করা হয়েছে ।
যশোরের শার্শা-বেনাপোল সীমান্ত। ছেষট্টি কিলোমিটার এ সীমান্তে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পাচার করা হয় স্বর্ণ। গত ৬ মাসে সীমান্ত এলাকা থেকে জব্দ করা হয় ৪৬ কেজি স্বর্ণ। গ্রেপ্তার করা হয় ১৯’জনকে। এ ঘটনায় জড়িতরা গ্রেপ্তারের পর ছাড়া পাওয়ায় বাড়ছে স্বর্ণ চোরাচালান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ৫ বছরে বিজিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ২০০ কেজির ওপরে সোনা উদ্ধার হয়েছে। যার মধ্যে করোনাকালীন গত তিন বছরেই উদ্ধার হয় ১০০ কেজির ওপরে সোনার বার। তবে এসব সোনা উদ্ধারের সময় বহনকারী শ্রমিকরাই আটক হন। মূল হোতারা থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে। আবার সোনা উদ্ধার ও বহনকারীরা গ্রেপ্তার হলেও পরবর্তী তদন্তে তাঁরা মুখ না খোলায় মূল হোতাদের মুখোশ উন্মোচন হয় না। ফলে পাচার কমে না। বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জানান, এসব সোনার মালিক তাঁরা নন, বাহকমাত্র। ঢাকা থেকে প্রতিটি বার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে বহনের কাজ করেন তাঁরা।
এ বিষয়ে বিজিবি যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক শাহেদ মিনহাজ সিদ্দিকী বলেন, ‘সোনাসহ বিভিন্ন চোরাচালান রোধে বিজিবি সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে সোনা চোরাচালান সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে আমাদের গোয়েন্দা দল কাজ করছে। সোনা চোরাচালানে যাঁরাই জড়িত থাকুক, তাঁদের ছাড় দেওয়া হবে না।’ কেবল স্বর্ণ নয়, শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে বেড়েছে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানও।




























