সিলেটের বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের এক নম্বর কূপ থেকে নতুন করে গ্যাস উত্তোলনের জন্য পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে। খননের পর কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় সাত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করার সম্ভাবনা আছে। শনিবার দুপুরে পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন করেন সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান ও বাপেক্স-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী। এ কূপ থেকে দৈনিক ৭ থেকে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ’সময় মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের এক নম্বর কূপ থেকে নতুন করে গ্যাস তোলার জন্য পুনঃখনন শুরু হয়েছে। খননের পর কূপটিতে গ্যাস জ্বালিয়ে পরীক্ষা করা হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ধারণা করা হচ্ছে, দৈনিক প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব। পাশাপাশি দৈনিক প্রায় ৯৫ ব্যারেল জ্বালানি তেল উৎপাদনের কনডেনসেট পাওয়া যেতে পারে। এ বছরের নভেম্বর বা ডিসেম্বরের প্রথম দিকে খননকাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিলেট গ্যাস ফিল্ডস ও শেভরন থেকে উৎপাদিত গ্যাসের পাশাপাশি প্রতিদিন প্রায় চার হাজার ২০০ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়। সেগুলো থেকে প্রতিদিন প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে তিন হাজার ৮০০ ব্যারেল জ্বালানি পাওয়া যায়।’

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ড উদ্বোধন করা হয়। ২০১৭ সালে এ ফিল্ডের এক নম্বর কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন বন্ধ করে দেয়া হয়। বর্তমানে সিলেটের বিভিন্ন গ্যাসফিল্ডে ১ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত রয়েছে। বর্তমানে সিলেটে ১২টি কূপ থেকে দৈনিক ৯১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে