জহির সিকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি।। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়সহ সাতটি অঙ্গরাজ্যের অন্যতম প্রবেশদ্বার। এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে যাতায়াত সুবিধা থাকার কারণে এবং ভারত সীমানা প্রান্তে বিমানবন্দর থাকায় আখাউড়া ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে দুদেশের যাত্রীরা খুব সহজেই ভ্রমণ করতে পারে ভারত এবং বাংলাদেশের যে কোন স্থানে।ফলশ্রুতিতে এ স্থলপথ দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার বিগত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক গুন বেড়েছে।
আখাউড়া আন্তর্জাতিক কাস্টম-ইমিগ্রেশন হয়ে ভারতে ভ্রমণকারী দেশি-বিদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রীদের কাছ থেকে ভ্রমণ কর-বাবদ ২০২২-২৩ অর্থবছরের ১আগষ্ট থেকে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত এক মাসে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৬০ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। এই সময়ে ১২ হাজার ৫’শ ৭৭জন যাত্রী ভারতে গমন করেন।
ভারতগামী যাত্রীদের কাছ থেকে ভ্রমণ কর আদায়ের কাজ করে থাকে আখাউড়া স্থলবন্দর সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। তারা যাত্রীপ্রতি সরকার নির্ধারিত ৫০০ টাকা ভ্রমণকর আদায় করে থাকে। আগষ্ট মাসে যেসব যাত্রী ভারতে প্রবেশ করেছে তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশ যাত্রী বাংলাদেশি এবং ১০ শতাংশ যাত্রীর মধ্যে ভারতসহ অন্যান্য দেশের নাগরিক রয়েছে।
আখাউড়া ইমিগ্রেশন ইনচার্জ উপপরিদর্শক স্বপন চন্দ্র দাস বলেন যাতায়াত সুবিধা ভালো থাকায় এ ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার বেড়েছে কয়েক গুন।আমাদের ইমিগ্রেশন ভবনটি পুরাতন সে কারনে কিছু সমস্যা রয়েছে। এ বিষয় গুলি আমাদের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ অবগত আছেন। আশা করছি খুব শীগ্রই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। যাত্রীর চাপ থাকার পরও আমরা যাত্রীদের আন্তরিকভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
আখাউড়া শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর আখাউড়া। দিন দিন এপথে যাত্রী পারাপার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে সরকারেরও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বন্দরের অবকাঠামোর কিছু সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যা সমাধান হলে এই স্থলপথ হবে যাত্রীদের প্রথম পছন্দ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজ ডেস্ক। বিডি টাইমস নিউজ



























