১৫ ফেব্রুয়ারির আগে নির্বাচন কমিশন আইন করা সম্ভব নয়। তাই এবারও সার্চ কমিটির মাধ্যমেই গঠিত হবে কমিশন। আইন করা হবে পরেরবার বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।এসময় তিনি আরো বলেন, সর্বোচ্চ আদালতে রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই বলে মনে করেন আইনমন্ত্রী। রোববার সকালে রাজধানীতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্যা রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নিয়মিত আয়োজন মিট দ্যা রিপোর্টার্স। এবারের অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

শুরুতেই আওয়ামী লীগের সময়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ে নেয়া নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন মন্ত্রী। নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের স্বাতন্ত্র্য সমুন্নত রেখে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।প্রশ্নোত্তর পর্বে নির্বাচনকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দেন আইনমন্ত্রী।এই অবস্থায় জিল্লুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকাকালে ২০১২ সালে সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে একটি সার্চ কমিটি গঠন করেন। সেই কমিটির সুপারিশের মধ্য থেকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেন তিনি। একই পদ্ধতি বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান মো. আবদুল হামিদও চালু রেখেছেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, “হয়ত বা সার্চ কমিটি গেজেটেড, এটা আইন নয়, যেহেতু সকলের কনসেনসাসের ভিত্তিতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এটা করেছেন, এটা আইনের কাছাকাছি। কারণ, এটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে।”আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে পাঁচ সদস্যের বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে; তাদের পর যে কমিশন গঠিত হবে ২০২৩ সালের শেষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ভার থাকবে তাদের ওপরই।নতুন ইসি গঠন নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রাষ্ট্রপতি একটা সার্চ কমিটি করবেন। তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন হবে।
আইন না করে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এক প্রতিক্রিয়ায় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এটা জনগণের সঙ্গে ‘ধোঁকাবাজি’।

তবে, প্রশ্ন ওঠে নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন প্রনয়নের দাবি নিয়ে। এবিষয়ে মন্ত্রী জানান, করোনার কারণে সব সদস্যের উপস্থিতিতে সংসদ অধিবেশন করতে না পারার কারণে এবার আর সময় হবে না।নির্বাচন কমিশন আইন ও সার্চ কমিটি নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে রোববার আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আইনটি করা প্রয়োজন, তবে বর্তমান মহামারী পরিস্থিতিতে এত দ্রুত সম্ভবপর নয়।

তথ্যঃ ইন্ডিপেন্ডেন্ট

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে