প্রস্তাবিত বাজেটে দরিদ্র মানুষের জন্য কোন বরাদ্দ নেই বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা। করোনা অতিমারি নিয়ে ক্ষমতাসীনরা ব্যবসা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। বিএনপি নেতারা, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবাইকে মাঠে নামার আহবান জানান। রাজধানীতে আলাদা অনুষ্ঠানে তারা এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভায় অংশ নেন বিএনপির সিনিয়র নেতাসহ  ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। এসময় তারা বলেন, খালেদা জিয়ার সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না দেশে। তাকে দেশের বাইরে চিকিৎসা করাতে না দেয়া অমানবিক। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই বলেও জানান তারা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আপনাদের ভাববার কোনো কারণ নেই যে, করোনার স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে জনগনকে বাঁচানোর জন্য সরকার এই লকডাউন দিচ্ছে, এই বিধিনিষেধ দিচ্ছে। লকডাউন দিচ্ছে, সব কিছু তো চলছে, কোনো কিছু তো বন্ধ নেই, সব কিছু খোলা।’

অনুষ্ঠানে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল­াহ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির নেতৃবৃন্দকে বলব, জিয়ার জন্য ১৫ দিনের কর্মসূচি বাদ দিয়ে ওই ১৫ দিন আপনারা খালেদা জিয়ার জন্য রাস্তায় থাকেন, আবার জামিনের দরখাস্ত করেন’। আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার অনেক কথা বললেও, এখনো প্রয়োজনীয় পরিমাণ করোনার টিকা সংগ্রহ করতে পারেনি। গণতন্ত্র উদ্ধারের আন্দোলনে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে জোটভুক্ত না হলেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসার আহŸান জানান তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই এবং জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে এগুতে হবে। আমরা জাতীয় ঐক্যের জন্য কাজ করছি। সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে এক করে, জোট না হোক আমরা যুগপত আন্দোলন করে বেরিয়ে আসতে পারি কিনা সেই চেষ্টা আমরা করছি। এর আগে একই স্থানে আরেকটি অনুষ্ঠানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, দলের ঐক্য সুদৃঢ় করে গণতন্ত্রের আন্দোলন বেগবান করা হবে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে