ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবের পর লবণাক্ততায় বৃক্ষহীন হয়ে পড়ছে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। লবণাক্ত পানিতে মরে যাচ্ছে বনজ ও ফলজ গাছ। অতি মাত্রায় লবণ পানি বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ গাছের সাথে লবণসহিষ্ণু জাতের গাছও মারা যাচ্ছে। এতে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা উপকূলবাসীর। তবে বনবিভাগ বলছে, লবণসহিষ্ণু সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে গত বছরের ২০মে তছনছ হয়ে যায় পুরো উপকূলীয় এলাকা।
৪০টি পয়েন্টের বেড়িবাঁধ ভেঙে লবণাক্ততায় আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন। মরে যাচ্ছে বনজসহ বাড়ির আঙ্গিনায় থাকা আম, জাম, কাঠালসহ ফলজ গাছ।
স্থানীয়রা জানান, এভাবে উপকূলীয় এলাকায় একের পর এক গাছ মরে যাওয়ায় আতঙ্ক কাজ করছে। সাতক্ষীরার জলবায়ু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী জানান, লোকালয়ে লবণ পানির প্রবেশ ঠেকাতে জরুরি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।
সাতক্ষীরার সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মারুফ বিল্লাহ জানান, বরাদ্দ পেলে উপকূলীয় এলাকায় পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানো হবে। লবণসহিষ্ণু জাতের গাছ রোপন করা হলে উপকূলীয় এলাকাকে সবুজ বেষ্টনীর মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব হবে। আশাশুনির প্রতাপনগর ও শ্রীউলা এবং শ্যামনগরের গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নে মারা গেছে দুই লাখের বেশি ফলজ ও বনজ গাছ।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























