দেশে চলমান টিকাদান কার্যক্রম আরো এগিয়ে নিতে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পর্ষদ। এ ঋণের আওতায় ৫’কোটি ৪০’লাখ মানুষকে টিকা দেয়া হবে। এছাড়া এই ঋণ শোধ করতে ৩০ বছর সময় পাবে বাংলাদেশ।
শুক্রবার বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) এই অর্থায়ন করবে। দাতা সংস্থাটি জানিয়েছে, কোভিড-১৯ ইমারজেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস প্রজেক্টের অধীনে বিশ্ব ব্যাংকের। এদিকে অতিরিক্ত এই অর্থায়ন, প্রথম পর্যায়ে দেশের ৪০ শতাংশ নাগরিককে টিকা দিতে সরকারের প্রাথমিক অগ্রাধিকার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে, সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ এবং টিকা পরীক্ষায় ওষুধ প্রশাসন পরিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াতেও সহায়তা দেবে এই প্রকল্প।
এছাড়া আইডিএর এই ঋণ শোধ করতে বাংলাদেশ ৩০ বছর সময় পাবে। করোনা টিকার জন্য বিশ্ব ব্যাংক দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম ধাপে বাংলাদেশ, নেপাল ও আফগানিস্তানের জন্য এই ঋণ অনুমোদন করেছে। এবিষয়ে বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি মার্সি টেম্বন বলেন, এই অর্থায়ন জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠীর জন্য দ্রুত টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটির আওতায় দেশের ২০ শতাংশ নাগরিকের জন্য যে টিকা বাংলাদেশ পাবে, বিশ্ব ব্যাংকের এই ঋণের অর্থ থেকে তার ব্যয় বহন করা হবে। এছাড়া আরও ১১ শতাংশ নাগরিকের জন্য টিকা উৎপাদকের কাছ থেকে সরাসরি কেনা বা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে পাওয়া টিকা ও টিকাদানের খরচও বহন করা হবে। এর বাইরে সরকার নিজস্ব অর্থায়নে বাকি ৯ শতাংশ নাগরিকের টিকার খরচ যোগাবে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























