করোনার সময়ে অফিস আদালত বন্ধ থাকলেও প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের কিছু মন্ত্রণালয় ছিল সচল। তবে বেশিরভাগ কর্মকর্তা কর্মচারীই ছিলেন অনুপস্থিত। এ পরিস্থিতিতে ঝুঁকি ও ভীতি নিয়ে কাজ করার কথা জানান মন্ত্রীরা। বলেন, এসময় ভবনের লিফটম্যান ও পিয়নকেও পাওয়া যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর নিরলস পরিশ্রমই তাদের কাজে উৎসাহ দিয়েছে বলেও জানান তারা।
করোনা সংক্রমণের কারণে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা হয় সারা দেশে। বন্ধ ছিল অফিস আদালত, কল-কারখানাও। থমকে যায় প্রশাসনের কেন্দ্র বিন্দু সচিবালয়ও। বেশিরভাগ মন্ত্রণালয় এ সময় অচল ছিল। এর মধ্যেও যেসব মন্ত্রণালয় খোলা ছিল সেসব মন্ত্রীদের হয়েছে নতুন অভিজ্ঞতা।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে করোনার পুরো সময় অফিস করতে হয়েছে। দরিদ্র জনগণের যেন খাদ্য সংকট না হয় সেজন্য ত্রাণ সরবরাহ চলমান রাখতে হয়েছে। করোনার সময় সুনশান ছিল সচিবালয়। ভীতি ও ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলেও বড় একটি জনগোষ্ঠীকে সাহায্য করাটা আনন্দের ছিল বলেও জানান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নিজে ফোন রিসিভ করার কথা জানান শ ম রেজাউল করিম। কিন্তু খামারি ও মৎসচাষীদের সাহায্য করার অভিজ্ঞতাটা একেবারেই নতুন তার কাছে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























