কোরবানির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পশুর বর্জ্য সরিয়ে রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য সাতশো’র বেশি যানবাহন নিয়ে মাঠে নামছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। বাতিল হয়েছে পরিবহন বিভাগের কর্মীদের ছুটি।
ঈদের দিন বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত থাকবে ১৮ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী। তবে করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থবিধি মেনে পশু কোরবানির সব কাজ সম্পন্ন করা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নগর কর্তৃপক্ষ। এদিকে কোরবানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্যবিধি মানা না হলে করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা উত্তরের ৫৪ ওয়ার্ডে পশু কোরবানির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫৬টি স্পট। পরিচ্ছন্নতা কাজে নিয়োজিত থাকবে ১১ হাজার ৫৮০ জন কর্মী। বর্জ্য সংগ্রহে ঘরে ঘরে পৌছে দেয়া হচ্ছে ৬ লাখ বিশেষ ব্যাগ। বর্জ্য অপসারণে কাজ করবে ভারী ও হালকা মোট ৪৩০টি যানবাহন।

ঢাকা দক্ষিণে কোরবানির জন্য নির্ধারিত হয়েছে ৭৫টি স্পট । ঈদের দিন পশু কোরবানির আনুমানিক সাত হাজার টন বর্জ্য অপসারণে মাঠে থাকবেন ছয় হাজারেরও বেশি পরিচ্ছন্নতাকর্মী। ২৪ ঘন্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যন্ত্রপাতি, যানবাহন ও নিরপত্তাকর্মী।

সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্পটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু কোরবানি নিশ্চিত করা হবে বলে জানালেন জনপ্রতিনিধিরা। এদিকে, করোনা সংক্রমণ রোধে কোরবানি দেয়ার সময় স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি কর্মীদেরকে পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে পরিচ্ছন্নতার কাজ করার পরামর্শ তাদের।

সংক্রমণ রোধে দুই সিটিতেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বুট, গ্লাভস, মাস্ক ও রেইনকোট সরবরাহ করেছে কতৃপক্ষ।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























