ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং গঙ্গা-পদ্মা নদ নদীর পানি সমতলে বৃদ্ধি পাচ্ছে যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এদিকে উত্তর পূর্বাঞ্চলে মেঘনার ওপরের দিকে পানি কমতে শুরু করলেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

নীলফামারীতে তিস্তায় পানি প্রবাহ বিপৎসীমার নীচে থাকলেও ডিমলা উপজেলার শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি, আবাদি জমি, সুপারী ও বাঁশবাগান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভিটেমাটি হারিয়ে এসব পরিবার উঁচু বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন। ত্রাণ না পৌঁছায় চরম বিপাকে পড়েছেন এসব মানুষ।

গাইবান্ধায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্যায় সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলায় নদী তীরবর্তী এবং চরাঞ্চল থেকে যেসব এলাকা থেকে পানি নেমে গিয়েছিল ওই সব এলাকা আবার নতুন করে বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ। ধরলার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারীর মহাসড়কের চন্ডিপুর এলাকার তিনটি স্থানে প্লাবিত হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও পানি বাড়তে থাকায় যেকোন মুহূর্তে এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হতে পারে।

বন্যায় সুনামগঞ্জের প্রায় ৩০০ কিলোমিটার রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে তাহেরপুর, ছাতক ও জামালগঞ্জে। কবলিত এলাকার আরেক সংকট বিশুদ্ধ পানি। নলকূপ ডুবে যাওয়ায় বানভাসিদের দূর দূরান্তে ছুটতে হচ্ছে।
নিউজ ডেস্ক।। বিডি টাইম্স নিউজ





























