
করোনার কারণে ক্রয়াদেশ স্থগিত হওয়ায় বায়িং হাউজগুলোতে এরই মধ্যে লোকসান হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। নতুন অর্ডার না থাকায় এরই মধ্যে বেকার হয়ে পড়েছেন প্রায় ৮০ হাজার মানুষ। এ অবস্থায় সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার পাশাপাশি অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস বায়িং হাউজ অ্যাসোসিয়েশন-বিজিবিএ। অর্থনীতিবিদরাও বলছেন, বেশিরভাগ বায়িং হাউজ বন্ধ হয়ে গেলে লোকসানে পড়বে তৈরি পোশাক খাত।

দেশের রপ্তানি আয়ের ৮৫ ভাগই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। আর বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে পোশাক প্রস্তুতকারকদের যোগ স্থাপন করে বায়িং প্রতিষ্ঠানগুলো। করোনা সংকটে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্য কমে যাওয়ায় নতুন ক্রয়াদেশ পাচ্ছেন না তারা। এতে বিপাকে পড়েছেন ৮২৫টি বায়িং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ৮০ হাজার মানুষ। গত মার্চ মাস থেকে করোনা পরিস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় এরই মধ্যে ক্রয়াদেশ স্থগিত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার। আয় কমে যাওয়ায় অফিস ভাড়া, কর্মচারীদের বেতনসহ অন্যান্য খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্রয়াদেশ স্থগিত ও নতুন অর্ডার না থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে দেশি-বিদেশি ১৫টির বেশি প্রতিষ্ঠান। এ অবস্থা দীর্ঘ স্থায়ী হলে আশঙ্কা করা হচ্ছে অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার।অর্থনীতিবিদরা বলছেন, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বায়ারদের ভূমিকা থাকলেও রপ্তানি শিল্প হিসেবে তাদের বিবেচনা করা হয় না। এতে পোশাকখাতের নানা প্রণোদনা থেকেও বঞ্চিত তারা।

এছাড়া সেবা খাতের জন্য সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজেও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত বায়িং প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই সেবা খাতের আওতায় হলেও সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা পাওয়ার দাবি বায়িং উদ্যোক্তাদের।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























