বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামী ২৩’শে জুন। ১৯৪৯ সালের এই দিনে ঢাকার রোজ গার্ডেনে জন্ম হয়েছিলো গণমানুষের এই দলটির। পুর্ব বাংলার স্বাধীনতার রুপকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই দিনটিকে উদযাপন করতে এবার ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ ওয়েবিনার ‘তারুণ্যের প্রত্যাশায় আওয়ামী লীগ’ প্রচারিত হবে আজ ২২’শে জুন রাত ৮.৩০ মিনিটে। অনুষ্ঠানটি সরাসরি প্রচারিত হবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউব চ্যানেলে (https://www.youtube.com/
আলোচনায় অংশ নেবেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ডঃ সেলিম মাহমুদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডঃ শাম্মী আহমেদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গোলাম কবির রাব্বানী চিনু এবং মারুফা আক্তার পপি। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলি ফরহাদ।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন রোজ গার্ডেনে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলো এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, সব আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশ গঠনে সর্বোচ্চ ভুমিকা পালন করেছে আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতার পর থেকে দেশবিরোধীদের ষড়যন্ত্র স্বত্ত্বেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধ্বংসস্তুপ থেকে উঠে এসেছে, স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। এই সংগ্রামী পথচলার পুরোটা সময় দলের নেতৃত্ব ছিল তরুণ নেতাদের হাতে। তরুণ শেখ মুজিবের ডাকে আন্দোলনে সামনে এসে দাঁড়াতেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। তারই কন্যা শেখ হাসিনা যখন দলের দায়িত্ব নেন তখন তিনিও ছিলেন তরণ। দলকে ঐক্যবদ্ধ করে ভগ্নপ্রায় রাষ্ট্রব্যবস্থা ও অর্থনীতিকে দাঁড় করিয়ে তরুণ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মজবুত করেছেন দেশের মেরুদন্ড।
৭১ বছরে বাংলার মানুষের জীবনকে সুন্দর করতে, সুখী করতে নিরলস সংগ্রাম করেছে তারুন্য-নির্ভর আওয়ামী লীগ। ৭১ বছর পরে এই দলটির কাছে বর্তমানের তরুণ সমাজের অনেক প্রত্যাশা আছে, আক্ষেপের জায়গাও আছে। এই প্রত্যাশাগুলো নিয়ে আলোচনা করার উদ্দেশ্যেই আগামীকাল এই ওয়েবিনারের আয়োজন করা হয়েছে। ফেসবুকে কমেন্টের মাধ্যমে তরুনেরা সরাসরি তাদের প্রশ্নগুলো আলোচকদের কাছে তুলে ধরতে পারবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলি ফরহাদ।





























