গণস্বাস্থ্যের ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট কিট’ করোনা আক্রান্তদের শনাক্তে কার্যকর নয় বলে জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মূল্যায়ন কমিটি।
আজ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হাসপাতালটির উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। তিনি বলেন, এই কিট করোনা আক্রান্ত শনাক্তে কার্যকর নয়, তবে আক্রান্তের সেরে ওঠার পর অ্যান্টিবডি শনাক্তে এটি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে।
বিএসএমএমইউর পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনা উপসর্গের প্রথম দুই সপ্তাহে এই কিট ব্যবহার করে শুধু ১১ থেকে ৪০ ভাগ আক্রান্তকে শনাক্ত করা সম্ভব। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই কিট সহায়তা করতে পারে বলেও মত দিয়েছে বিএসএমএমইউ। সুপারিশে বলা হয়েছে, যেসব স্থানে আরটি পিসিআর ল্যাব পদ্ধতি চালু নেই বা যাদের করোনা উপসর্গ থাকার পরেও পিসিআরে নেগেটিভ এসেছে তাদের ক্ষেত্রে এই কিট কিছুটা সহায়ক হতে পারে।
বিএসএমএমইউ’র মূল্যায়ন কমিটি আরো বলেছে, এই কিট রোগের বিস্তার বোঝার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। আক্রান্তের পর সেরে ওঠা ৭০ ভাগ মানুষের দেহে কিটটি অ্যান্টিবডি শনাক্ত করতে পারে বলে প্লাজমা বিতরণ, কোয়ারেন্টিনের সমাপ্তির সময় নির্ধারণ এবং লকডাউন তুলে নেয়ার রূপরেখা তৈরিতে সহায়তা করতে পারে বলেও মনে করছে বিএসএমএমইউ। এর আগে সকালে গণস্বাস্থ্যের কিট করোনা আক্রান্ত শনাক্তে কার্যকর কি না, তার প্রতিবেদন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে জমা দেয় কিট কার্যকারিতা মূল্যায়ন কমিটি।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























