ছয় ঋতুর ছোট্ট এই দেশটিতে বাঙ্গালির বারো মাসে তের পার্বণ লেগেই থাকে উতসব মুখর পরিবেশে। ঋতু পরিবরতনের সাথে সাথে এই দেশটির মানুষগুলোও কেমন জানি প্রকৃতির সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়।শীতের রিক্ততা শেষে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে নতুন করে সাজতে শুরু করেছে প্রকৃতি।

দখিনা বাতাস আর নানা রকম ফুলের সৌরভ জানান দিচ্ছে এসে গেছে বসন্ত। কবি-লেখকরা এই ঋতুকে বলছেন সৃজনশীলতার ঋতু। নিসর্গবিদরা বলছেন, দখিনা বাতাস আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মানুষের মনকে করে তোলে এমন উদাস।থোকায় থোকায় রক্তরঙ্গা শিমুল আর আগুন লাগা পলাশের সমারোহ, থেকে থেকে কোকিলের কুহুতানে মানুষের মন হয় উচাটন, নিয়ে যায় দূরের কোন ঘাসফুল ফোটা মাঠে। এক সাথে এত রং, এত বৈচিত্র্যময়তা অন্য কোন ঋতুতে দেখা যায় না। কবি-লেখকরা বলছেন প্রকৃতির রূপের পরিবর্তনের সাথে মানুষের মনের রয়েছে এক গভীর সংযুক্তি। яндекс

বসন্ত হচ্ছে সৃজনশীলতার ঋতু। সবার মনে এই ঋতু এমন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে যে তার জীবন ধারণ পদ্ধতিও পাল্টে যায়। শীত-কুয়াশার নির্জীব প্রকৃতিকে প্রাণবন্ত করে তুলতেই দখিনা বাতাসে বসন্ত ভেসে আসে দূরে মাঠের ধারে সবুজ ঘাস আর পলাশ-পারিজাতের হাত ধরে।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইমস নিউজ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে