রমজানে ঢাকা মহানগরীর প্রতিষ্ঠিত রেস্টুরেন্টগুলো ইফতারি প্রস্তুত করে বিক্রি করতে পারবে। তবে কেউ ফুটপাতে কোন ধরণের ইফতারির পশরা বসিয়ে প্রদর্শণ ও ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন না। ইফতারি বিক্রেতা এবং ক্রেতা সকলকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়।

আজ মঙ্গলবার থেকে ঢাকার প্রতিষ্ঠিত রেস্তোরাঁগুলো সীমিত আকারে ইফতার বিক্রি করতে পারছে। করোনা মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে চলমান রোজায় এতদিন ঢাকায় ইফতার বিক্রি বন্ধ ছিল। তবে নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ আজ থেকে কিছুটা ছাড় দিচ্ছে।

ডিএমপি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকার যেসব রেস্তোরাঁর স্থায়ী স্থাপনা রয়েছে এবং পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রেখে প্রতিষ্ঠিত রেস্তোরাঁগুলো ইফতার প্রস্তুত ও বিক্রি করতে পারবে। ইফতারির সময় পর্যন্ত বিক্রি চালানো যাবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান বিডি টাইম্‌স নিউজকে জানিয়েছেন, রেস্তোরাঁয় কেউ বসে ইফতার খেতে পারবেন না। কিনে নিয়ে যেতে হবে। এদিকে ঢাকায় নিত্যপণ্যের দোকান খোলা রাখার সময় দুই ঘণ্টা বাড়ল। ঢাকা মহানগরীতে নিত্যপণ্যের দোকানগুলো প্রতিদিন সকাল ৬ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। তবে আগের মতোই ওষুধ ও জরুরি সেবার দোকানগুলো ২৪ঘণ্টা খোলা রাখা যাবে। এর আগে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে দুপুর ২টার মধ্যে দোকান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিএমপি নগরবাসী থেকে সব ধরনের সহায়তা কামনা করেছে।

সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক নির্দেশনায় এ কথা জানানো হয়েছে।নির্দেশনায় বলা হয়, নগরবাসী প্রতিষ্ঠিত রেস্টুরেন্ট/রেঁস্তোরা থেকে ইফতারি ক্রয় করতে পারবেন। তবে রেস্টুরেন্ট/রেঁস্তোরায় বসে ইফতার করতে করতে পারবেন না।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে