কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইনের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব-কেপিসির আয়োজনে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণ সভায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান খন্দকার রাশিদুল হক নবা। বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমান, কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব-কেপিসির সভাপতি হাজী রাশেদুল ইসলাম বিপ্ল­ব। সভা পরিচালনা করেন কেপিসি’র সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা।

এছাড়াও স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন উইমেন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ও কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব-কেপিসির নির্বাহী সদস্য আফরোজা আক্তার ডিউ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন শ্যামলী, যুগ্ম সম্পাদক শেখ হাসান বেলাল, কোষাধ্যক্ষ মিলন উল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক নাহিদ হাসান তিতাস, বিডি টাইমস্ নিউজের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ও সদস্য কে এম শাহীন রেজাসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকরা।

স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি সাবেক সচিব খন্দকার রাশিদুল হক নবা বলেন, রবিউল ও আমি ছোট বেলার বন্ধু। রবিউলের মতো সৎ, দেশ প্রেমিক ব্যক্তি পাওয়া বর্তমান সমাজে বিরল ঘটনা। আমি যতবার কুষ্টিয়ায় এসেছি রবিউলও আমার সাথে এসেছে। এই প্রথম রবিউলকে ছাড়া আমি কুষ্টিয়ায় এলাম। কুষ্টিয়ায় বর্তমান জেলা প্রশাসক মো: আসলাম হোসেন যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছে তা রীতিমতো নীরব বিপ্ল­ব ঘটিয়েছে। কুষ্টিয়াতে ইতোপূর্বে কোন জেলা প্রশাসক এমন উন্নয়ন করতে পারেনি। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য এবং এর আশে পাশের এলাকা পাল্টে দিয়েছে কুষ্টিয়াকে। জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষ ও তার কার্যালয়টি এক উন্নয়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সেই সাথে আমি অভিভূত মূজিব বর্ষকে ঘিরে যে কর্মযজ্ঞ চলছে তা সকল জেলার থেকে এগিয়ে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: আসলাম হোসেন বলেন, আমি নিজেকে কুষ্টিয়ার একজন মনে করি। যে কারণে কুষ্টিয়াকে ঘিরে আমার স্বপ্ন রয়েছে। একটি কালচারাল যাদুঘর নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে আমি স্থপতি রবিউল হুসাইনের সাথে কথা বলেছিলাম। তিনি আমাকে সার্বিক সহযোগিতার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমরা তাকে হারিয়েছি। কালচারাল যাদুঘরে থাকবে রবীন্দ্রনাথ, লালন শাহ, কাঙাল হরিনাথ, মীর মশাররফ হোসেন, বাঘাযতীন, গগন হরকরা সহ এই জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ।

সবশেষে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জেলা প্রশাসক মো: আসলাম হোসেন প্রধানমন্ত্রীর বাণী সম্বলিত কেপিসির স্মরনিকা প্রধান অতিথির হাতে তুলে দেন। এর আগে সকালে সাবেক সচিব খন্দকার রাশিদুল হক নবা ও জেলা প্রশাসক মো: আসলাম হোসেন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুস্কস্তবক অর্পন করেন।

কে এম শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে