দেশে প্রথমবারের মতো সরকারি হাসপাতালে পাঁজরের হাড় না কেটে হৃদযন্ত্রের ছিদ্র বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন চিকিৎসকরা। রোববার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে এই অস্ত্রোপচার করা হয়।
চিকিৎসকরা জানান, এই অপারেশনে রোগীর রক্তক্ষরণসহ অন্যান্য ঝুঁকি কম। তবে অপারেশনের জন্য দরকার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং দক্ষ সার্জন। পর্যাপ্ত সহায়তা পেলে এই চিকিৎসায় যুগান্তকারী সাফল্য পাওয়া সম্ভব। ১২ বছর বয়সী নূপুরের বাড়ি পাবনার সুজানগর থানায়। হৃদপিন্ডে ছিদ্র নিয়েই জন্মায় সে। বড় হওয়ার সাথে সাথে সমস্যাও বাড়ছিলো। অভিভাবকরা গত সপ্তাহে নূপুরকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন।
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক কাজী আবুল আজাদ জানান, পাঁজরের হাড় না কেটে বুকের পাশে ছোট ছোট ছিদ্র করে অস্ত্রোপচার করা হয় নূপুরের। চিকিৎসা বিজ্ঞানে যা এমআইসিএস নামে পরিচিত।

দেশে প্রথমবারের মতো সরকারী হাসপাতালে সফল এই অস্ত্রোপচারের উদ্যোক্তা আবাসিক সার্জন ডাক্তার আশরাফুল হক সিয়াম বলেন, এ ধরণের অস্ত্রোপচারকে হৃদযন্ত্রের ল্যাপরোস্কোপি বলা যায়। এতে অপরেশন পরবর্তী ঝুঁকি কম। আড়াই ঘন্টার এই অস্ত্রোপচারে অংশ নেয়া চিকিৎসকরা বলেন, এ অভিজ্ঞতা হৃদরোগের চিকিৎসায় দেশের জন্য সফলতা বয়ে আসবে।
তবে এ চিকিৎসার জন্য যে ধরনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রয়োজন তা হাসপাতালে নেই এবং দক্ষ সার্জনেরও অভাব রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























