রিফাত হত্যা মামলায় তার স্ত্রী মিন্নি দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে তাকে বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে আনা হয়। পরে তিনি জবানবন্দি দেন বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর কাছে। তবে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের অভিযোগ তার মেয়ের কাছ থেকে জোরজবরদস্তি করে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রায় ১৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত ৯টার দিকে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে চাইলে ৫ দিন মঞ্জুর করে আদালত।

তবে তিন দিনের মাথায়, শুক্রবার বেলা দুইটার দিকে মিন্নিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। স্বীকারোক্তি দিয়ে সন্ধ্যা সাতটার দিকে আদালত থেকে বেরিয়ে আসেন মিন্নি। তদন্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবিরের দাবি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।তবে আদালত চত্বরে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের অভিযোগ, তার মেয়ের কাছ থেকে জোর করে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে।

পরে আদালত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথে কিছু বলতে চাইলে দুই পুলিশ সদস্য মিন্নি মুখ চেপে ধরেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৬ জুন রিফাতকে প্রকাশ্য সড়কে কুপিয়ে হত্যার সময় স্বামীকে বাঁচাতে মিন্নির চেষ্টার ভিডিও ঝড় তোলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এই হত্যা মামলার এক নম্বর সাক্ষি রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে