ঢাকা মহানগরীর ৩৪টি এলাকার ওয়াসার পানির নমুনা পরীক্ষা করে ৮টিতে ব্যাকটেরিয়া, উচ্চ মাত্রার অ্যামোনিয়া ও কিছু নমুনায় মলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে পুরান ঢাকার পাতলা খান লেন, সায়দাবাদ, চাঁদনীঘাট ও মিরপুর। রোববার (০৭জুলাই) সকালে ঢাকা ওয়াসার ৩৪ পয়েন্টের পানি পরীক্ষার প্রতিবেদন হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়।
এ সময় দুই সপ্তাহের মধ্যে বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদন সম্পর্কে ঢাকা ওয়াসার বক্তব্য জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এছাড়াও মল ও ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব পাওয়ায় কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েছে আদালত।এ বিষয়ে আগামী ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন আকারে আদালতে উপস্থাপন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওইদিন এ বিষয়ে শুনানির দিন ঠিক করেছেন আদালত।
রাজধানীর ওয়াসার পানির নমুনা পরীক্ষা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আজ শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।রিটকারী আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদনটি দাখিল করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।এর আগে গত ৩ জুলাই ঢাকা ওয়াসার ১০টি মডস জোনের মধ্যে চারটি এবং সায়েদাবাদ ও চাঁদনীঘাট এলাকা থেকে সংগৃহীত আটটি নমুনার পানিতে দূষণের তথ্যসংকান্ত প্রতিবেদন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যলয়ে জমা দেয়া হয়। প্রতিবেদনে এইসব এলাকার পানিতে ব্যাকটেরিয়া, উচ্চমাত্রার অ্যামোনিয়া পাওয়া গেছে এবং কিছু কিছু নমুনাতে মলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে তথ্য উঠে আসে।
গত ২১ মে এক আদেশে ঢাকা ওয়াসার পানির উৎস, ১০টি বিতরণ জোন, গ্রাহকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান এবং দৈবচয়নের ভিত্তিতে ১০টি স্থান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় ৩৪টি স্থান থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করে তা আইসিডিডিআরবি, বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে আটটি নমুনাতে দূষণ পাওয়া যায়।
তথ্যঃ বৈশাখী
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























