রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল প্রকল্পে অনুসন্ধান চালালে বড় দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসবে। এমনটাই মনে করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি। আর দুর্নীতির কোনো আভাস পাওয়া গেলেও আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটগুলোর জন্য ১,৩২০টি বালিশ কেনা হয়েছে। যার প্রতিটির মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯শ ৫৭ টাকা। আর প্রতিটি ১৮ তলা ভবনে উঠানোর খরচ ধরা হয়েছে ৭শ ৬০ টাকা। ইলেক্টিক আয়রন কেনা হয়েছে ৪ হাজার ১শ ৫৪ টাকায়। আর উঠানোর খরচ ২ হাজার ৯শ ৪৫ টাকা। এধরণের অন্তত এক ডজন পণ্য অস্বাভাবিক মূল্যে কেনার তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

গবেষণার অভিজ্ঞতা থেকে টিআইবি বলছে, যে কোন প্রকল্পের এক অংশে দুর্নীতির উপস্থিতি থাকলে তা অন্য অংশেও ছড়িয়ে যায়। তাই সরকারের উচিৎ এই প্রকল্পে সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ জোরদার করা ।কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তদন্ত করছে। এছাড়াও প্রকল্পে অন্য কোনো দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেবে দুদক।

দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলছেন, রুপপুর পারমাণুবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য থাকলে টিআইবির তা দুদককে দেয়া উচিৎ। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকল্পের অন্য দুর্নীতির চিত্র কতটুকু উঠে আসবে তা নিয়েও সন্দিহান বিশ্লেষকরা।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে