বরেণ্য নাট্যকার, নির্দেশক ও অভিনেতা মমতাজউদ্দীন আহমদ মারা গেছেন। রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি মারা যান। মমতাজউদ্দীন আহমদের বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর। দীর্ঘদিন ফুসফুসে সংক্রমণে ভুগছিলেন একুশে পদকজয়ী এই ভাষাসৈনিক।
দেশের টেলিভিশন নাটকের শুরুর দিকে তারকা অভিনেতা মমতাজউদদী আহমদ। জন্ম ১৯৩৫ সালে ১৮ জানুয়ারি, মালদহে। ছোটপর্দায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলেও, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তার বড় অবদান মঞ্চ-নাটকে। তার অভিনয়-নির্দেশনায় ঢাকার মঞ্চ পেয়েছে একের পর এক সফল নাটক। ছাত্রজীবনেই যুক্ত হন রাজনীতিতে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে যখন অংশ নেন, তখন তিনি কলেজ-পড়ুয়া। রাজশাহী কলেজে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণেও আছে তার ভূমিকা।
স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে নাট্য দল থিয়েটার গড়ার অন্যতম কারিগর তিনি। শেষ পর্যন্ত কাজ করেছেন এখানেই। পড়াশুনা শেষে প্রথমে চট্টগ্রাম সরকারী কলেজ, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন বাঙলা সাহিত্য ও নাট্যকলা। শিক্ষক হিসেবেও ছিলেন সমান জনপ্রিয়। তার লেখা বেশকিছু নাটক প্রশংসিত হয়েছে দেশে-বিদেশে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার রচনা ও নির্দেশনায় মঞ্চে তুমুল দর্শকপ্রিয়তা সাত ঘাটের কানাকড়ি। এছাড়া হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার, রাজার অনুস্বারের পালা ও কী চাহ শংখচিলের আবেদন থাকবে দীর্ঘদিন।
নাট্যকলায় বিশেষ অবদানের জন্য পেয়েছেন আলাওল ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার। ১৯৯৭ সালে ভূষিত হন একুশে পদকে।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














