ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও নেত্রকোণায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৬১ জন।

ভোলার দক্ষিণ দীঘলদিতে ঝোড়ো হাওয়ায় গাছচাপা পড়ে এক নারী নিহত হয়েছেন। বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় ঝোড়ো বাতাসে কাঠের ঘর ধসে দাদি ও নাতির মৃত্যু হয়। রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার দক্ষিণ চরদুয়ানি গ্রামের বাঁধঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গাছচাপায় মোহাম্মদ হাবিব নামে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১১ জন। শনিবার সকালে লক্ষ্মীপুরের রামগতির চর আলগী এলাকায় ঘর চাপা পড়ে আনোয়ারা বেগম নামে একজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ২০ জন। নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে গাছচাপায় নিহত হয়েছে এক স্কুলছাত্রী। এর আগে সুবর্ণচরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঝোড়ো বাতাসের আঘাতে ঘরের নিচে চাপা পড়ে ১৩ মাস বয়সী এক শিশু মারা গেছে। আহত হয়েছে ৩০ জন।

এছাড়া বজ্রপাতে নেত্রকোণার খালিয়াজুরী উপজেলার মোহসিন এবং মদন উপজেলার আব্দুল বারেক নামের দুই কৃষক নিহত হয়েছেন।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে