অকথ্য গালিগালাজের শিকার হয়েই খেলা বন্ধ করে মাঠ থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন আবাহনী ও প্রাইম দোলেশ্বর ম্যাচের দুই আম্পায়ার গাজী সোহেল ও তানভীর আহমেদ। ম্যাচ রেফারি মন্টু দত্তকে বলেই সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু শেষ অবধি ম্যাচ স্থগিতের কারণ দেখানো হলো আম্পায়ারের ‘অসুস্থতা’।
ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের পরিচালনা সংস্থা সিসিডিএমকে ব্যাপারটা জানানো হয়েছে। তারাই এখন সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে। সিসিডিএমের টেবিলেই সিদ্ধান্ত হবে স্থগিত হয়ে যাওয়া আবাহনী-দোলেশ্বর ম্যাচের বাকি অংশ কবে অনুষ্ঠিত হবে।
আম্পায়ারের অসুস্থতাকে ‘কারণ’ হিসাবে দেখালেও বিকেএসপিতে খেলাটি বন্ধ হয়ে যায় মূলত আবাহনীর অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও অন্য খেলোয়াড়দের অভব্য আচরণের কারণেই।
দোলেশ্বরের ইনিংসের ১৫.৪ ওভারে সাকলাইন সজীবের বলে দোলেশ্বরের রকিবুল হাসানের বিপক্ষে স্টাম্পিংয়ের একটি জোরালো আবেদনে আম্পায়ার গাজী সোহেল সাড়া দেননি। এরপর প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন আবাহনীর খেলোয়াড়েরা। অধিনায়ক তামিম প্রকাশ্যেই আম্পায়ারদের গালি দেন। সমর্থকগোষ্ঠীর সদস্যরাও এ সময় যোগ দেন খেলোয়াড়দের সঙ্গে। পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে আম্পায়ার সোহেল ও তানভীর ম্যাচ রেফারি মন্টু দত্তের সঙ্গে কথা বলে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান ইনিংসের ১৭তম ওভারে।
একটি সূত্র জানিয়েছে, খেলা অনেকক্ষণ বন্ধ থাকার পর দোলেশ্বরকে নাকি ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে খেলাটি শেষ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে সাড়া দেয়নি দোলেশ্বর। ডি/এল পদ্ধতিতে ১৭ ওভারে ২ উইকেটে ৫৯ রান তোলা দোলেশ্বরকে এই ম্যাচ জিততে ৩৪ ওভারে করতে হতো আরও ১০১ রান। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির ঝুঁকি কাঁধে নেওয়ার কারণ খুঁজে পায়নি দোলেশ্বর।
এবারের প্রিমিয়ার লিগের ক্রিকেটে পর্দার সামনে ও আড়ালে অনেক ঘটনা ঘটছে। এর সঙ্গে যুক্ত হলো আজকের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
স্পোর্টস ডেস্ক


























