অন্যের দুর্নীতি খোঁজার আগে দুর্নীতি দমন কমিশনকে পরিশুদ্ধ হতে বলেছে হাইকোর্ট। সংস্থার ভেতরের দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতেও বলেছে আদালত। বিনা দোষে কারাভোগ করা জাহালমের বিষয়ে দুদকের তদন্তের ব্যাখ্যা গ্রহণের সময় বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ মন্তব্য করে।
সোনালী ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা ঋণজালিয়াতির অভিযোগে আবু সালেক নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৩৩টি মামলা করে দুদক। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তাদের ভুলে সালেকের বদলে তিন বছর ধরে কারাগারে কাটাতে হয় টাঙ্গাইলের পাটকল শ্রমিক জাহালমকে। সম্প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশে কারাগার থেকে মুক্তি পান জাহালম।
স্বপ্রণোদিত রুলে জাহালমের আটকাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চায় হাইকোর্ট। এছাড়া, ভুল তদন্তের বিষয়ে দুদকের ব্যাখ্যা চেয়ে প্রতিবেদন চায় আদালত। আদালত বুধবার দুদক প্রতিবেদন দেয়ার পর, জাহালমের ক্ষেত্রে সংস্থাটির দায়িত্বহীনতার তীব্র সমালোচনা করে হাইকোর্ট।
দুদকের প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তার দায় অস্বীকার করা হলেও আদালত বলেছে, প্রতিবেদনটি বিশদভাবে খতিয়ে দেখা হবে। ঋণ জালিয়াতির ঘটনার সঙ্গে ১৮টি ব্যাংকের সম্পর্কে থাকলেও দুদক কেন মাত্র ৫টি ব্যাংকের বিষয়ে প্রশ্ন তুলছে তা নিয়েও ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট।
দুদকের আইনজীবী বলছেন, আদালত যেসব প্রশ্ন তুলেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তাদের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে থাকবে। শুনানিতে আদালত বলে, দুদক একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা খারাপ হোক আদালত তা চায় না।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























