বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার নিয়ে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিএফআই’য়ের  প্রতিবেদনকে অসঙ্গতিপূর্ণ ও প্রশ্নবিদ্ধ বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে অর্থ পাচার একটি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ডক্টর সালেহ উদ্দিন জানান, দুর্বল নজরদারির কারণে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক আর্থিক খাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি-জিএফআই’র বিশ্বজুড়ে অর্থ পাচার নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ থেকে ২০১৫ সালে প্রায় ৫৯০ কোটি ডলার বা ৫০ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার তথ্য দেয় জিএফআই। আমদানি-রপ্তানির সময়ে পণ্যের প্রকৃত মূল্য গোপন করে এই অর্থ পাচার হয় বলে উল্লেখ করা তাদের প্রতিবেদনে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ডক্টর সালেহ উদ্দিন মনে করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও রাজস্ব বোর্ডের দুর্বল নজরদারির কারণে অর্থ পাচার হয়ে থাকে। দুর্নীতির মাধ্যমে খুব সহজে অর্জন করা এই অর্থ জবাবদিহিতার ভয়ে পাচার করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান প্রতিবেদনটিতে বিভিন্ন অসঙ্গতি রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরদারি বাড়ানোর ফলে পাচার কমে আসছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে, বিশ্লেষকরা বলছেন, যেসব দেশে অর্থ পাচার হয়েছে সেসব দেশের সাথে আলোচনা করে পাচারের অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে পারে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে