আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সহজের জন্য সংশ্লিষ্ট ৩৯ সংস্থাকে এক ছাদের নিচে আনতে বাস্তবায়ন হচ্ছে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো প্রকল্প। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এ প্রকল্পের প্রায় ৩০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, ২০২১ সালেই চালু হবে এ ব্যবস্থা।
কাস্টমস ব্যবস্থাকে ২০২১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের সমকক্ষ করতে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো প্রকল্পসহ বাস্তবায়ন হচ্ছে ৯টি বিশেষ উদ্যোগ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর ফলে বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সহজ হওয়ার পাশাপাশি কমবে যাত্রী হয়রানি।

২০১১ সাল থেকে প্রতিবছরের ২৬ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস পালন করছে ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য বাণিজ্য, ভ্রমণ ও পরিবহনের জন্য আধুনিক সীমান্ত ব্যবস্থা। দুই বৈশ্বিক সংগঠন বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা ও কাস্টমস অর্গানাইজেশনের সনদে সই করা দেশ হিসেবে কাস্টমস ব্যবস্থার উন্নয়নে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে বাংলাদেশেও। কর্মকর্তারা জানান, বন্দরে কোনো পরীক্ষা ছাড়াই কোম্পানিগুলোকে পণ্য আমদানি-রপ্তানির সুযোগ দিতে এইও ব্যবস্থাও চালু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তিন কোম্পানি পাচ্ছে এ সুযোগ। আবার কন্টেইনার জট কমাতে সরকারি ও ভালো কোম্পানির পণ্য খালাসে বন্দরে চালু হচ্ছে তিন ধরনের চ্যানেল। একইভাবে বিমানবন্দরে বিশেষ যাত্রীদের জন্যও চালু হচ্ছে আলাদা চ্যানেল।
কর্মকর্তারা জানান, নিলাম প্রক্রিয়া সহজ করতে ই-অকশন বাস্তবায়ন শেষ পর্যায়ে। এছাড়া কাস্টমস সম্পর্কিত তথ্যের অবাধ প্রবাহের জন্য চালু হচ্ছে দুটি ওয়েবসাইট। পুরো ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি কমাতে সহযোগিতা দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড।
নিউজ ডেস্ক।।বিডি টাইম্স নিউজ


























