সড়ক দুর্ঘটনায় গত বছর সারাদেশে ৭ হাজার ২শ ২১ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ১৫ হাজার ৪শ ৬৬ জন। সকালে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য দেয়া হয়। এতে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে গাড়ির বেপরোয়া গতি, চালককের অদক্ষতাকে চিহ্নিত করা হয়।
সড়ক-মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল। প্রতিদিনই ঝরছে তাজা প্রাণ। স্বজনের আহাজারি। ক্রমেই মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। ২০১৮তে সড়কে সাড়ে পাঁচ হাজার দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭ হাজার ২শ ২১ জনের। রেলপথে নিহত হয় ৩৯৪ জন ও আকাশপথে ৫ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৫৫ জনের। এছাড়াও নৌপথে ১২৬ জন নিহত হয়। নিখোঁজ রয়েছেন ৩৮৭ জন।
শুক্রবার সকালে যখন কুমিল্লায় ১৩ শ্রমিকের মৃত্যুর খবর, তার কিছুক্ষণ পর রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রকাশিত প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় ২০১৮ সালে সারাদেশের দুর্ঘটনার চিত্র। গত বছর ৪১ শতাংশ মানুষ মারা গেছে গাড়ি চাপায়। ২৫ শতাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু ১৬ শতাংশের। নিহতদের মধ্যে চালক শ্রমিক ১ হাজার ২শ’৫২ জন। ৮৮০ জন শিক্ষার্থী, শিশু ৪৮৭ জন। মৃত্যুর মিছিলে আছে ৩৪ সাংবাদিকও।
বেপরোয়া গতি, বিপদজনক ওভারটেক, চালকের অদক্ষতাসহ ১২টি কারণে ঘটেছে এসব দুর্ঘটনা। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের কাছেও দেয়া হয়েছে১২টি সুপারিশ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান জানান, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও জবাবদিহি না থাকায় উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয় না।
সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে সড়ক নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নেয়ার অঙ্গীকার করেছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিলে সড়ক দুর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব।
নিউজ ডেস্ক।।বিডি টাইম্স নিউজ














