ধানমণ্ডি ও মোহাম্মদপুরে ফ্ল্যাট প্রকল্প গ্রহণের দেড় বছরে ১০টি জমির মাত্র দুটির দখল পেয়েছে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ। সেখানেও ফ্ল্যাট নির্মাণ শুরুর ক্ষেত্রে রয়েছে জটিলতা। এসব প্রকল্প কবে আলোর মুখ দেখবে তা নিয়ে হতাশায় ফ্ল্যাটের জন্য আবেদনকারীরা। তবে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন নতুন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
২০১৭ সালের আগস্টে ধানমণ্ডি ও মোহাম্মদপুরের ১০টি জমিতে ফ্ল্যাট প্রকল্পের জন্য বিজ্ঞাপন দেয় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ। আয়তনের তিনটি ক্যাটাগরিতে ২৪০টি ফ্ল্যাটের বিপরীতে আবেদনও নেয়া হয়। ধানমণ্ডিতে প্রতি বর্গফুটের দাম নির্ধারণ হয়েছে সাড়ে ৯ হাজার টাকা আর মোহাম্মদপুরে পাঁচ হাজার ২০০ টাকা।

ধানমণ্ডির ফ্ল্যাটের জন্য ছয় লাখ ও মোহাম্মদপুরে আয়তনভেদে চার ও তিন লাখ টাকা জামানত দিয়েছেন প্রাথমিক বাছাইয়ে মনোনীত গ্রাহক। তবে ফ্ল্যাটের জন্য নির্ধারিত জমি অধিগ্রহণে শুরুতেই তৈরি হয় জটিলতা। আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও অন্য জটিলতায় আটটি প্লটের দখলই নেয়া যায়নি। বাকি দুটি প্লটের দখল পাওয়া গেলেও সেখানে ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রাথমিক প্রস্তুতিও শুরু হয়নি। এতে হতাশ ও ক্ষুব্ধ আবেদনকারীরা।
প্রকল্পের সবশেষ অবস্থা জানতে চাইলে ক্যামেরা সামনে কথা বলতে রাজি হননি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান। আর নতুন গৃহায়ন মন্ত্রী বলছেন, বিষয়টির দ্রুত সুরাহার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। মামলা জটিলতা দূর করার পাশাপাশি যে দুটি প্লটের দখল পাওয়া গেছে সেখানে শিগগিরই ফ্ল্যাট নির্মাণ শুরু করা হবে। এ প্রকল্পে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া আশ্বাসও দিয়েছেন মন্ত্রী।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ


























