চোরাই তেল বিক্রির দায়ে অভিযুক্ত চার পেট্রল পাম্পে অবৈধভাবে বেচাকেনা চলতে থাকায় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি। বিপিসি সচিবের সই করা পত্রে বুধবার এই নির্দেশনা দেয়া হয়।
চোরাই তেল বিক্রি ও পরিমাণে কম দেয়ার দায়ে ২০১৬ সালে উত্তরাঞ্চলের ১৫টি পেট্রল পাম্পের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দেয় বিপিসি। তবে এ নির্দেশ না মেনে পাম্প চালু রাখে দিনাজপুরের লুত্ফা এন্টারপ্রাইজ, পাবনার মনসুর ফিলিং স্টেশন, নওগাঁর হক ও রতন ফিলিং স্টেশন।

গত ডিসেম্বরে ক্রেতা সেজে এসব ফিলিং স্টেশনে যায় বিপিসির তদন্ত দল। এসময় চারটি পেট্রল পাম্পেই তেল বিক্রির প্রমাণ পান তারা। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে জ্বালানি তেল কিনে রসিদও সংগ্রহ করে দলটি। এ ঘটনায় চারটি পেট্রল পাম্পের লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বাতিল করে বিপিসি। কারণ দর্শাতে বলা হয় সরকারি তিন জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে। দোষ স্বীকার করে নোটিশের জবাবও দেন তারা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই চার পেট্রল পাম্পের মধ্যে তিনটিতে তেল বেচাকেনা বন্ধ থাকলেও চলছে একটিতে। এদিকে সরকারি জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েলের তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের চিঠি বুধবার অভিযুক্তদের কর্মস্থলে পাঠানো হয়। প্রত্যাহারের তালিকায় থাকা কর্মকর্তারা হলেন, যমুনা অয়েলের সহকারি মহাব্যবস্থাপক শাকিল আহমেদ, মেঘনা পেট্রলিয়ামের উপ-ব্যবস্থাপক শরীয়ত উল্লাহ এবং পদ্মা অয়েলের সহকারি মহাব্যবস্থাপক নূর হোসেন হাওলাদার। এরা বগুড়া আঞ্চলে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে জ্বালানি তেল বিপণণের দায়িত্বে ছিলেন।

বিপিসি কর্মকর্তারা জানান, চোরাই তেল বিক্রির অভিযোগে স্থগিত থাকা অন্য পেট্রোল পাম্পগুলোও তদন্ত চালানো হবে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























