দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকেই এর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সদ্য সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. আব্দুল হান্নান। তিনি বলেন, ‘সার্ককে অকার্যকর করার জন্য পাকিস্তান দায়ী।’ মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্ট আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল-ভুটান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘১৯৭২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের কলকাতায় সবার আগে দক্ষিণ এশিয়া বা এই উপমহাদেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার কথা ভেবেছিলেন। ওইদিন তিনি বলেছিলেন, দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা না গেলে এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’
এই অঞ্চলের উন্নয়নে সার্কের সম্ভাবনা প্রচুর উল্লেখ করে সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বর্তমানে এর অবস্থা হতাশাজনক। সার্ক এখন মৃতের মতো আছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, সার্ক আরও অনেক বছর হয়তো এভাবেই চলবে। তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সংগঠন রয়েছে, সেগুলোকে কার্যকর করলেই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। এই সংগঠনগুলো সার্কের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।’

‘সার্কের বর্তমান অচলাবস্থার জন্য পাকিস্তান দায়ী’ উল্লেখ করে মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘১৯৮৫ সালে যখন সার্ক প্রতিষ্ঠা করা হলো, তখন ইরান ও আফগানিস্তানকে নিয়ে পাকিস্তান ইসিও (ইকনোমিক কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন) নামের আরেকটি পাল্টা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়। সার্ক বিষয়ে পাকিস্তানের সদিচ্ছা নিয়ে আগেও প্রশ্ন ছিল। এখনো রয়েছে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। আরও উপস্থিত ছিলেন পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম, সাবেক রাষ্ট্রদূত একেএম আতিকুর রহমান, সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহবায়ক ও অভিনেতা পিযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অনেকে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ


























