দক্ষ জনবলের অভাবসহ সাত কারণে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না বেসরকারি উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানগুলো।

দক্ষ জনবলের অভাবসহ সাত কারণে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না বেসরকারি উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সরকারের নীতি সহায়তাসহ সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা চান বেসরকারি উদ্যোক্তারা। তবে এখাতের ব্যর্থতার জন্য মূলত উদ্যোক্তাদের অদক্ষতাকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা।

জ্বালানি তেলের উচ্চ মূল্য, বিমানবন্দরের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ, সরকারি নীতিমালার দুর্বলতা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অসম প্রতিযোগিতার কারণেই ব্যবসা করতে পারছেন না বলে দাবি করছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, উড়োজাহাজ পরিচালনার ব্যবসাকে অন্যান্য ব্যবসার সাথে মেলানো ঠিক হবে না। যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহন, প্রকৌশল ব্যবস্থাপনার উদ্যোগসহ নানাভাবে ব্যবসা বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

১৯৯৫ সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম বেসরকারিভাবে উড়োজাহাজ পরিচালনার অনুমতি দেয়া হয়। এরপর পেরিয়ে গেছে প্রায় দুই যুগ। এ সময়ে ১২টি প্রতিষ্ঠান অনুমতি পেলেও বন্ধ হয়ে গেছে নয়টি। বর্তমানে চালু থাকা রিজেন্ট, নভোএয়ার ও ইউএস-বাংলা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রী পরিবহন করলেও ব্যবসায়িকভাবে সুবিধা করতে পারছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উড়োজাহাজ পরিচালনা ব্যবসায় প্রথম তিন বছর লাভের সুযোগ নেই। পাঁচ বছরে আয়-ব্যয় সমান করা সম্ভব আর লাভের মুখ দেখতে অপেক্ষা করতে হবে অন্তত ৮-১০ বছর।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে