কথা বলেন বাংলায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলের উচ্চারণে। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মত ওরাও মুসলিম। বিভিন্ন জেলায় স্থায়ী ঠিকানা দেখিয়ে পাসপোর্ট জোগার করেছেন পবিত্র ওমরাহ হজ পালন করতে সৌদি আরব যাওয়ার জন্য। এরা প্রত্যেকেই মিয়ানমারের নাগরিক, রোহিঙ্গা। বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিচ্ছে এরা।
সম্প্রতি বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহারকারী ১৩ রোহিঙ্গাকে আটক করে দেশে ফেরত পাঠায় সৌদি পুলিশ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়- সবগুলো পাসপোর্টই ২০১১ থেকে ’১৪ সালের মধ্যে ইস্যু দেখিয়ে নবায়নের নামে এমআরপি করা হয়েছে। এসব পাসপোর্টে বগুড়া, কুমিল্লা, ঝিনাইদহ, মাদারীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পাবনার ভুয়া স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত থেকে শুরু করে পাসপোর্ট হাতে পেতে তাদের গুণতে হয়েছে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত।
বেশিরভাগ পাসপোর্ট ইস্যু হচ্ছে বিভিন্ন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে। কয়েক ধাপে যাচাই বাছাইয়ের বিধান থাকার পরও পাসপোর্ট ব্যবস্থাপনার কোন দুর্বলতায় রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট পায়? এমন প্রশ্নে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, বিষয়টি তারাও খতিয়ে দেখছেন।
সংশ্লিষ্ট কমকর্তা কর্মচারিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার কথাও জানান পরিচালক।অপরাধীদের পাসপোর্ট পাওয়া ঠেকাতে ঢাকা ও আঞ্চলিক অফিসগুলোতে আরো নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেন পাসপোর্ট অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা।
নিউজ ডেস্ক || বিডি টাইম্স নিউজ

























