একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ভোটকেন্দ্র পাহাড়ায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬ লাখেরও বেশি সদস্য। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ভোটে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এরই মধ্যে তাদের সব ধরণের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও কেন্দ্রগুলোর জন্য নেয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব বাহিনীর সদস্যদের দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
একাদশ জাতীয় নির্বাচনে সারাদেশে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্য ৪০ হাজার ১৮৩টি। এর মধ্যে ২৫ হাজার ৮২৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে রাজধানীসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে ৬ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে পুলিশের সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার, র্যাব সদস্য ১০ হাজার, আনসার ৪ লাখ ৪৬ হাজার, গ্রাম পুলিশ ৪১ হাজার। এছাড়া সারাদেশে বিজিবি ২৯ হাজার ৪৯০ ও ৩০ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনকালীন সময়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫ হাজার ৫০ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবে। নির্বাচনের আগে ও পরে সব ধরনের হুমকি মাথায় রেখেই মাঠে নেমেছে সব বাহিনীর সদস্যরা। সারাদেশে টহলের পাশাপাশি চলছে তল্লাসি। ঢাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, রাজধানীজুড়ে থাকবে সুদৃঢ় নিরাপত্তা বলয়। চারটি কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে।
সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে সোয়াট ও বোমা নিস্ক্রিয়কারী দল। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সব ধরণের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, ভোটের দিন এবং আগে ও পরে তিন স্তরের নিরাপত্তার বলয় তৈরি করা হয়েছে। কেউ নাশকতার চেষ্টা করলে কঠোর হাতে দমন করা হবে। এদিকে, রাজধানীসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিশেষ ব্রিফিং ও সমাবেশ হয়েছে। সেখানে তাদের নির্বাচনের দিন দায়িত্বপালনের সব ধরনের দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। টহলে রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ

























