নির্বাচনকালীন সহিংসতা নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল উদ্বেগ জানাচ্ছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনেরা মনে করেন- রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছাই পারে বন্ধ করতে। নির্বাচন কমিশনের আরও সক্রিয় হতে হবে। এখনই এই সহিংসতা বন্ধ করা না গেলে ভোটের দিন তা আরও বেড়ে যাওয়ার আশংকা করেন তারা।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সব নির্বাচনের সময়ই কিছুটা সহিংসতা হয়। তাদের পর্যবেক্ষণে, সহিংসতা হয় মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অসহিষ্নুতা আর হিংসাত্মক রাজনীতি থেকে। নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়িত্ব থাকলেও, এসব সহিংসতা বন্ধ করার দায়িত্ব মূলত রাজনৈতিক দলগুলোরই। বললেন, নির্বাচন বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার (অব:) সাখাওয়াত হোসেন ও ইমতিয়াজ আহমেদ।
গেল ১০ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু করে রাজনৈতিক দলগুলো। এর আগে নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো সহিংসতা না ঘটলেও প্রচারের প্রথমদিনেই ঢাকায় সহিংসতায় প্রাণ যায় দু’জনের। এরপর নোয়াখালী ও ফরিদপুরেও প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি হামলা ও হতাহতের অভিযোগ করছে প্রতিদিনই। ভোটের একদিন আগে সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ভোটারদের মধ্যে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাধারণ মানুষের কাছে ভোটের উৎসব যেন আতঙ্কে পরিণত না হয় সে দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে নিতে হবে। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে আগ্রহী করে তুলতে সবার আগে সহিংসতা বন্ধ করার তাগিদ দেন তারা।
পাশাপাশি ভোটের পরেও যাতে দেশ সহিংসতামুক্ত থাকে, সে ব্যাপারেও সতর্ক হয়ে কাজ করার তাগিদ এই নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ

























