তাপমাত্রা কমার সাথে সাথে রাজধানীর অনেক এলাকায় বাড়ছে গ্যাসের সংকট। অনেক এলাকাতেই গ্যাস থাকছে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। চুলা না জ্বলায় খাবার খেতে হচ্ছে দোকান থেকে কিনে। যদিও, ঢাকায় পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহের দাবি জানিয়েছে তিতাস। তবে, কিছু এলাকায় লাইনে সমস্যার কারণে সরবরাহ বিঘ্ন হতে পারে, বলছে সংস্থাটি। রাজধানীতে বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাহিদা ৩৫ কোটি ঘনফুট, যার বিপরীতে তিতাসের সরবরাহ ২৮ থেকে ২৯ কোটি ঘনফুট। তাই বছর জুড়েই থাকে গ্যাসের সংকট, যা প্রকট হয় শীতকালে।শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথেসাথেই রাজধানীর বেশ কয়েকটি দেখা দিয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট।  রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী ও পুরান ঢাকাসহ ১৫টি এলাকায় গ্যাস সংকটের অভিযোগ করেছেন সাধারণ মানুষ। এছাড়া, উত্তরায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গ্যাস না থাকার অভিযোগ গ্রাহকদের। অবশ্য গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা তিতাসের কর্মকর্তাদের দাবি, ঢাকায় গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গ্যাসের সরবরাহ না বাড়িয়ে সংযোগ বাড়াচ্ছে বিতরণ কোম্পানি। ফলে প্রকট হচ্ছে সংকট। পাশাপাশি গ্যাসের অপচয় ও চুরি রোধে তিতাসের ব্যর্থতাকেও দায়ী করেন তারা।

এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী কমেনি ঢাকায় গ্যাসের সংকট। এলএনজি থেকে তিতাস কর্তৃপক্ষ ঢাকার জন্য ১০ থেকে ১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস পেলেও তার পুরোটাই সরবরাহ হচ্ছে বন্ধ থাকা সার কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে। ফলে, থেকেই যাচ্ছে আবাসিক খাতের গ্যাস সংকট।

নিউজ ডেস্ক ।।  বিডি টাইম্স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে