ফেইসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবার নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার বড় জায়গা হয়ে উঠেছে। ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারকারীদের মধ্যে সাড়ে আট কোটি ফেইসবুক ও প্রায় দুই কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নিয়মিতই চোখ রাখেন ইউটিউবে। ফলে এবারে নির্বাচনে প্রথাগত প্রচারের পাশাপাশি ডিজিটাল দুনিয়াতেও জনমত গঠনে সক্রিয় আছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে মোকাবেলারও প্রস্তুতি আছে বলে জানান দলটির নেতারা।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অক্টোবরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নয় কোটি ২৪ লাখ ৬৬ হাজার। এদের মধ্যে প্রায় সাত কোটি ফেইসবুক ও প্রায় এক কোটি সক্রিয় ইউটিউব ব্যবহারকারী। ইনিষ্টাগ্রাম, টুইটার, পিন্টারেষ্ট, রেড্ডিটসহ বিভিন্ন সামজিক মাধ্যমে যুক্ত বাকিরা। এবারের নির্বাচনে এক চতুর্থাংশ তরুণ ভোটার। এই ডিজিটাল প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তাই রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরাও প্রচারণায় বেছে নিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। দলের ভেরিফাইড ফেইসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন পেইজে ইতিমধ্যে তুলে ধরা হয়েছে একদশকে শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারই দেশে প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটিয়েছে। তাই প্রযুক্তিকে নির্বাচনের মাঠেও তারা সঠিক ভাবেই কাজে লাগাতে চান। পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যে কোন ধরনের অপপ্রচার রোধেও প্রস্তুতি আছে বলে জানান দলটির নেতারা।

দশ কোটি ৪২ লাখ ভোটারের মাঝে প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণ ভোটাদের কাছে নির্বাচনী প্রতিশ্র“তিসহ নানান তথ্য পৌঁছে দিতে ডিজিটাল মাধ্যম এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ন বলেও মনে করে আওয়ামী লীগ।

নিউজ ডেস্ক ।।  বিডি টাইম্স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে