যুক্তরাষ্ট্র কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে সমর্থন করে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা দূতাবাসের দায়িত্ব নেওয়া মিলার মঙ্গলবার প্রথম নির্বাচন কমিশনে যান।

বৈঠক শেষে মিলার সংবাদিকদের বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। সব দল যেন বাধাহীনভাবে নির্বাচনী প্রচারণা, র‌্যালি, সমাবেশ করে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রের প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে এবং বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমর্থন করে।’

নির্বাচন ঘিরে সংঘাত যেন না হয় সেই প্রত্যাশা জানিয়ে মিলার বলেন,  সংঘাত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রধান বাধা। বৈঠকের বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনার জন্য এসেছিলাম। আমরা বলেছি, সব দল যেন অবাধে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার এবং রাজনীতি করার সুযোগ পায়। তারা যেন শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনী প্রচার চালানোর এবং শোভাযাত্রা করার সুযোগ পায়। কারণ, বিতর্কের মধ্যে দিয়ে শক্তিশালী গণতন্ত্র আরও বিকশিত হয়। গণমাধ্যম, বিরোধী দল যেন তাদের মত ব্যক্ত করতে পারে।’ তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলকে সহায়তা করবে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই)। সংস্থাটি পাঁচ সদস্যের প্রাক মূল্যায়ন দল অক্টোবরে পাঠিয়েছিল। এ মাসেও এমন একটি দল পাঠানো হয়। এনডিআইয়ের অংশীদার ‘দ্য এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশন’। তারা দুজন আন্তর্জাতিক নির্বাচন বিশেষজ্ঞ নিয়োজিত করেছে এবং স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠাবে।

এ ছাড়া মার্কিন দূতাবাস পৃথক পর্যবেক্ষক দল নিয়োগ করবে সারা দেশে। যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র ১৫ হাজার স্থানীয় পর্যবেক্ষকের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অর্থায়ন করবে। তাঁরা ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের হয়ে কাজ করবে।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে