ডিসেম্বর শেষে প্রতিদিন ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস- এলএনজির মাধ্যমে। সরবরাহ বাড়ানোর মাধ্যমে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শিল্প কারখানার গ্যাস সংকট দূর হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
গ্যাসের অভাবে উৎপাদনে যেতে পারছেনা দেশের সাড়ে তিন হাজারের বেশি শিল্প-কারখানা। সংযোগের অনুমতি পেলেও সংকটের কারণে গ্যাস পাচ্ছেনা এসব প্রতিষ্ঠান। এ কারণেই এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা নেয় সরকার।
গত আগস্ট মাসে এলএনজি যুগে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। যার মাধ্যমে দেশের গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ২৮০ কোটি ঘনফুট থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ৩১০ কোটি ঘনফুটে। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলছেন, আগামি বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ এলএনজি থেকে ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে। এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, গ্যাস সংকট সমাধানে শুধু আমদানির ওপর নির্ভর করা ঠিক হবে না। এজন্য দেশের সাগর ও স্থলভাগে আরও জোরালোভাবে গ্যাস অনুসন্ধানের তাগিদ তাদের।
বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪০০ কোটি ঘনফুট। ক্রমবর্ধমান এ চাহিদা পূরণে ২০২৫ সাল নাগাদ ২০০ থেকে ২৫০ কোটি ঘনফুট এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ














